সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, তৎকালীন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে ওই গ্রেফতার কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সে সময় সার্কেল এএসপি হিসেবে আপেল মাহমুদের ভূমিকা সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে উপস্থিত থাকা ও দাপ্তরিক তদারকির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল বলে তাঁর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রিমান্ডের আবেদন করেন এবং পরবর্তীতে তৎকালীন পুলিশ সুপারের নির্দেশে মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা সংযোজন করা হয়—এমন বক্তব্যও সংশ্লিষ্ট পক্ষের কাছ থেকে পাওয়া গেছে।
পরবর্তীতে আপেল মাহমুদের বিরুদ্ধে রিমান্ডে নির্যাতন, অর্থ লেনদেনসহ বিভিন্ন অভিযোগ ওঠে। তবে তাঁর পক্ষ থেকে এসব অভিযোগকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য, মামলার নথি, কল রেকর্ড, সিসিটিভি ফুটেজ কিংবা আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পর্যালোচনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে আপেল মাহমুদ সাময়িক বরখাস্ত রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা চূড়ান্তভাবে নির্ধারণের জন্য বিভাগীয় তদন্ত ও প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা জরুরি।
অভিযোগ সত্য হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা এবং অভিযোগ প্রমাণিত না হলে তাঁর ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত—উভয় বিষয়ই সমান গুরুত্ব পাওয়া উচিত। নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমেই প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল আশা করছে।